Community
Contribute Content Join our Community
Events
» Events
Events
» Events »
About
» About
Members
» Community » Members
Members
» Community » Members »
Blog
» Community » Blog
Blog
» Community » Blog »
Forum
» Community » Forum
Forum
» Community » Forum »
Groups
» Community » Groups
Groups
» Community » Groups »
Photos
» Community » Photos
Photos
» Community » Photos »
Videos
» Community » Videos
Videos
» Community » Videos »
Contests
» Community » Contest
Tech Tools
» Resources » Tech Tools
Awards
» Resources » Awards & Grants
Job
» Resources » Job Opportunities
Member Profile
» Community » Profile »
Frequently Asked Questions
» Frequently Asked Questions
Contact Us
» Contact Us
Newsletter
» Newsletter
Join our Community
» Join Our Community
Contribute Content
» Contribute Content
Opportunities
» Resources » ICT4D Opportunities
Partners
» Partners
Partners
» Partners »
Explore our Community
» Explore Another Online Community
Explore our Community
» Explore Another Online Community »
Terms of Use
» Terms of Use
Resources
» Resources
Sitemap
» Sitemap
Community Guide
» Community Guide
Global Community Team
» About » Global Community Team
Impact Stories
» Resources » Community Impact Stories
Telecentre Academy
» Telecentre Academy

স্থানীয় কন্টেন ডেভেলপমেন্ট বিষয়

প্রেরক
শাহজাহান আলী বিপাশ
হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড পল্লী তথ্য কেন্দ্র
কালীগঞ্জ,ঝিনাইদহ।
মোবাইল: ০১৭১২৬২০৬৩৬

নিম


উদ্ভিদের নাম: নীম

স্থানীয় নাম:নীম

ভেষজ নাম: উদ্ভিদ নাম হচ্ছে Azadirachta Indica

পরিচিতি: নিম একটি বহু বর্ষজীবি ও চির হরিত বৃক্ষ। আকৃতিতে ৪০-৫০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। প্রাপ্ত বয়স্ক হতে সময় লাগে ১০ বছর। নীম গাছ সাধারণত উষ্ণ আবহাওয়া প্রধান অঞ্চলে ভাল হয়। মাটির পিওএই ৬.২-৮.৫ এবং বৃষ্টিপাত ১৮-৪৬ ইঞ্চি ও ১২০ ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রা নিম গাছের জন্য উপযোগী। নিমের এই গুনাগুনের কথা বিবেচনা করেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‌একুশ শতকের বৃক্ষ বলে ঘোষনা করেছে।

ব্যবহার্য অংশ: পাতা, ফল, ছাল বা বাকল, নিমের তেল,বীজ। এক কথায় নিমের সমস্ত অংশ ব্যবহার করা যায়।

রোপনের সময়: জুনের ৩০ তারিখ থেকে বীজ বপন শুরু হয়। বর্ষকালের শেষ পর্যন্ত বীজ বপন করা যায়। বীজ নার্সরী বেডে, পলিব্যাগে অথবা সরাসরি জমিতে লাগানো যেতে পারে।

উত্তোলণের সময়: নার্সারীতে চারা জন্মানোর ৭-১০ সেমি উচু হলে তা লাগানো উপযুক্ত। সাধারণত বৃষ্টির সময়ে অথবা সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিতে চারা উত্তোলন করা ভালো।

আবাদী/অনাবাদী/বনজ: নিম সাধারণত সকল জমিতে হয়। বসতবাড়ি, মাঠের জমি, জঙ্গলে জন্মে।

চাষাবাদের ধরণ: নিম সব ধরনের মাটিতে জন্মে থাকে। ঘন কাদা মাটি এবং শুষ্ক ভুষা মাটিতে ও জন্মে। তবে কালো দোয়াশ মাটি নিম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। উচচা মাত্রায় সোডিয়াম কার্বনেটম সোডিয়াম বাই কার্বনেট,ক্ষার ও লবানক্ততায় নিম ভাল জন্মে। নীম নার্সরী বেড, কন্টেইনার নার্সারী মাধ্যমে চারা উতপান করা যায়।

উদ্ভিদের ধরণ: নিম একটি বহু বর্ষজীবি ও চির হরিত বৃক্ষ।

ঔষধি গুণাগন: বর্তমান বিশ্বে নিমের কদর তা কিন্তু এর অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে ব্যহারের জন্য। নিম ছত্রাকনাশক হিসেবে, ব্যাকটেরিয়া রোধক হিসেবে ভাইরাসরোধক হিসেবে, কীট-পতঙ্গ বিনাশে চ্যাগাস রোধ নিয়ন্ত্রণে, ম্যালেরিয়া নিরাময়ে,দন্ত চিকিতসায় ব্যাথামুক্তি ও জ্বর কমাতে, জন্ম নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়।


ব্যবহার:
কফজনিত বুকের ব্যথা: অনেক সময় বুকে কফ জমে বুক ব্যথা করে। এ জন্য ৩০ ফোটা নিম পাতার রশ সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে দিতে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতী,শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এ ঔষধটি নিষেধ।

কৃমি: পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যকাশে হয়ে যায়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুড়া দিন ৩ বার সামান্য পানি গরমসহ খেতে হবে।
উকুন নাশ: নিমের পাতা বেটে হালকা করে মাথায় লাগান। ঘন্টা খানেক ধরে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ২/৩ দিন এভাবে লাগালে উকুন মরে যাবে।
অজীর্ণ: অনেকদিন ধরে পেটে অসুখ। পাতলা পায়খানা হলে ৩০ ফোটা নিম পাতার রস, সিকি কাপ পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকাল- বিকাল খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাবে।
খোস পাচড়া: নিম পাতা সিদ্ধ করে পানি দিয়ে গোসল করলে খোসপাচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েকদিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়।
পোকা-মাকড়ের কামড়: পোকা মাকড় কামল দিলে বা হুল ফোটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেটে ক্ষত স্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হবে।
দাতের রোগ: নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের চাল দিয়ে নিয়মিত দাত মাজলে দাত হবে মজবুত, রক্ষা পাবে রোগ।
জন্ম নিয়ন্ত্রণে নিম: নিম তেলা একটি শক্তিশালী শ্রক্রানুনাশক হিসেবে কাজ করে। ভারতীয় বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন যে, নিম তেল মহিলাদের জন্য নতুন ধরনের কার্যকরী গর্ভনিরোধক তে পারে। এটি ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই শুক্রানু মেরে ফেলতে সক্ষম।

নিম চাষে আয়: একটি প্রাপ্ত বয়স্ক গাছে ৫০-৬০ কেজি ফল পাওয়া যায় যার বাজার মুল্য প্রায়৫ হাজার টাকা। এছাড়াও একটি পুর্ণবয়স্ক গাছ এককালিণ ১৫-২০ হাজার টাকায় বিক্রয় করা য়ায়। মাত্র দুটি প্রাপ্তবয়স্ক নিম গাছ থেকে বছরে গড়ে ২০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। এছাড়াও এক একরে বাণিজ্যিক নিম বাষে ১৫-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।










তেলাকুচ
উদ্ভিদের নাম: তেলাকচু

স্থানীয় নাম: তেলাকচু, তেলাহচি, তেলাচোরা ইত্যাদি।

ভেষজ নাম:Coccinia

ব্যবহার্য অংশ:পাতা, লতা,মুল ও ফল।

রোপনের সময়: তেলাকচু দেশের প্রায় সব অঞ্চলে বসত বাড়ির আশে পাশে, রাস্তার পাশে বন-জঙ্গলে জন্মায় এবং বংশ বিস্তার করে। সাধারণ চৈত্র- বৈশাখ মাসে তেলাকুচ রোপন করতে হয়।পুরাতন মুল শুখিয়ে যায় না বলে গ্রীস্ম মেৌসুমি বৃষ্টি হলে নতুন করে পাতা গজায় এবং কয়েক বছর ধরে পুরানো মুল থেকে গাছ হয়ে থাকে।

উত্তোলণের সময়: শীতকাল ছাড়া সব মেৌসুমেই তেলাকচুর ফল ও ফল হয়ে থাকে। ফল ধরার ৪ মাস পর পাকে এবং পাকলে টুকটুকে লাল বণ ধারণ করে।

আবাদী/অনাবাদী/বনজ: এটি বসতবাড়ির আশে পাশে, জঙ্গলে,রাস্তার পাশে জনেম।

চাষাবাদের ধরণ: শিকড়সহ লতা এনে রোপন করলে অতি সহজেই তেলাকুচা গাছ জন্মে। এর বীজ থেকেও চারা তৈরি করা যায়। দুই থেকে আড়া ফুট দুরুত্বে বাণিজ্যিক চাষাবাদ করা যায়। বেলে বা দোআশ মাটিতে ভাল চাষ হয়। বৈশাখ-জৈষ্ট্য মাসে বৃষ্টি হলে তেলাকচুর বীজ বপন করতে হয়। বীজ তলার মাটি আগে ঝুরঝুরে করে নিতে হয়। বীজ বপনের ১০-১৫ দিনের মধ্যে চারা গজিয়ে থাকে।

উদ্ভিদের ধরণ: তেলাকচু একটি লতানো উদ্ভিদ। এটি গাড় সবুজ বর্ণের নরম পাতা ও কান্ডবিশিস্ট একটি লতা জাতীয় বহুবর্ষজীবি উদ্ভিদ। লতার কান্ড থেকে আকষীনীয় সাহায্যে অন্য গাছকে জড়িয়ে উপরে উঠে। পাচকোনা আকারের পাতা গজায়, পাতা ও লতা সবুজ রং।









ঔষধি গুণাগন:-

ডায়াবেটিকস: ডায়াবেটিস হলে তেলাকুচার কান্ড সমেত পাতা ছেচে রস তৈরি করে আধাকাপ পরিমাণ প্রতিদিন সকাল ও বিকালে খেতে হবে। তেলাকুচার পাতা রান্না করে খেলেও ডায়াবেটিকস রোগ উপকার হয়।

জন্ডিস: জন্ডিস হলে তেলাকচুর মুল ছেচে রস তৈরি করে প্রতিদিন সকালে আধাকাপ পরিমাণ খেতে হবে।

শোথ: গাড়িতে ভ্রমণ কালে বা অনেক ক্ষন পা ঝুলিয়ে বসলে পা ফুলে যায় একে শোথ রোগ বলা হয়। এবং প্রায়ই আমাশয় হতে থাকলে তেলাকচুর মূল ও পাতার রস ৩-৪ চা চামস প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।
শ্বাসকষ্ট: বুকে সর্দি বা কাশি বসে যাওয়ার কারনে শ্বাসকষ্ট (হাপানি রোগ নয়) হলে তেলাকচুর মুল ও পাতার রস হালকা গরম করে ৩-৪ চা চামস পরিমান প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।
কাশি:শেস্মাকাশি হলে তরল করতে এবং কাশি উপশমে ৩-৪ চা চামস তেলাকচুর মুল ও পাতার রস হালকা গরম করে আধা চা-চামস মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।
শ্লেম্মাজর: শেষ্মাজ্বর হলে ৩-৪ চা চামস তেলাকচুর মুল ও পাতার রস হালকা গরম করে ২-৩ দিন সকাল- বিকাল খেতে হবে।
স্তনে দুধ স্বপ্লতা: সন্তান প্রসবের পর অনেকের স্তনে দুধ আসে না বা শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যায়। এ অবস্থা দেখা দিলে ১টা করে তেলাকচু ফলের রস হালকা গরম করে মধুর সাথে মিশিয়ে সকাল-বিকাল ১ সপ্তাহ খেতে হবে।
ফোড়া ও ব্রণ: ফোড়া বা ব্রণ হলে তেলাকচু পাতার রস বা পাতা ছেচে ফোড় ও ব্রণে প্রতিদিন সকাল-বিকাল ব্যবহার করতে হবে।

Views: 74

Comment

You need to be a member of Telecentre.org Online Community to add comments!

Join Telecentre.org Online Community

CONNECT WITH US

Latest Activity

Cleopa Timon Otieno posted photos
7 hours ago
telecentre.org posted a blog post
13 hours ago
Cuchie Echeverria posted a blog post
15 hours ago
AHMED SUDAN posted a blog post
22 hours ago
Karna Ram Poonar posted a status
"welcome all of you at online community !! if interested with MOOCs them please join the site:http://agmoocs.in"
22 hours ago
Karna Ram Poonar left a comment for Michael Nwankwo
22 hours ago
Knut Harald Nylænde posted a status
"In this article I’ll share 50 Reasons to Start Your Own Business http://goo.gl/KYuItd"
yesterday
Cleopa Timon Otieno left a comment for Michael Nwankwo
yesterday

© 2015   Created by telecentre.org.

Badges  |  Report an Issue  |  Terms of Service